গাজীপুরের শ্রীপুরে নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তাঁর স্বামী উদ্ভব চন্দ্র দাসকে (২৮) আটক করা হয়েছে। দুই বছর আগে সীমা রানী দাসের সাথে উদ্ভবের বিয়ে হয়।
রোববার (১২ অক্টোবর) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের বড়চালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, উদ্ভব জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে স্ত্রীকে হত্যার কথা জানান। এরপর ঘরের বাতি নিভিয়ে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে তিনি লাশের পাশে বসে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আশপাশের লোকজনের সহায়তায় তাঁকে দরজা খোলার জন্য ডাক দেন। দরজা খোলার পর দেখা যায়, তিনি লাশের পাশে বসে ধূমপান করছেন।
উদ্ভবের বোনের স্বামী সুবল চন্দ্র দাস বলেন, ওই ঘটনার সময় বাড়ির অন্য ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন উদ্ভবের বাবা। তিনি ঘটনা বুঝতে পারেননি। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে এসে উদ্ভবকে হেফাজতে নেয়।
তিনি বলেন, সম্প্রতি উদ্ভবকে একটি মাদকাসক্তি পুনর্বাসনকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল। তিন মাস আগে তিনি সেখান থেকে বাড়ি ফেরেন। এর আগেও তাঁকে একাধিকবার পুনর্বাসনকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল।
স্থানীয়দের দাবি, উদ্ভব আগেও বিয়ে করেছিলেন। মাদকাসক্তির কারণে প্রথম স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে চলে যান।
ওসি মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, সীমার শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাত আছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
আই/এ