দেশজুড়ে

স্কুলছাত্রী হত্যা, মেয়ের সেই বান্ধবীকেই দুষছেন তাজমিনের মা

কুমিল্লায় ধানক্ষেত থেকে ৭ম শ্রেনির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন সিএনজিচালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাজমিনের মায়ের দাবি মেয়েকে ভুল পথে নিয়ে গেছে তার বান্ধবী। অনেকবার বুঝিয়েছি তবে সে শোনেনি।  মেয়েকে সিগারেট ও গ্যাস লাইট কিনে দিয়েছে। মদও খাওয়াতে চেয়েছে। ওর বান্ধবীই ওকে নিয়ে যেতে চেয়েছিল।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামের বাড়িতে তাজমিনের দাফনের পর গণমাধ্যমকে এ কথা জানান তাজমিনের মা কেয়া বেগম।

তিনি বলেন, মেয়ের ওই সঙ্গ ত্যাগ করার জন্য বারবার বলা সত্ত্বেও সে শোনেনি। একপর্যায়ে কুমিল্লা নগরীর ওয়াইডাব্লিউসি স্কুল থেকে তাজমিনকে বাধ্য হয়ে ফরিদা বিদ্যায়তন স্কুলে ভর্তি করানো হয়।

এ সময় হাজির হন তাজমিনের বাবা আব্দুল আলিম। এ সময় তার অনুমতি ছাড়া বক্তব্য দেয়ায় তিনি ক্ষোভ জানালে স্ত্রী কেয়া বেগম ঘরে চলে যান।

আব্দুল আলিম জানান, তার স্ত্রী শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। মেয়েকে হারানোর শোকে যখন যা মনে আসছে তাই বলছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা এখন বক্তব্য দেওয়ার সিচ্যুয়েশনে নেই। আমার যা বলার কুমিল্লায় প্রশাসনের একাধিক টিমের কাছে বলেছি। পাশাপাশি মামলার আরজিতে উল্লেখ করেছি। পুরো ঘটনা প্রশাসন তদন্ত করছে। আমি আশা করছি দ্রুতই ঘটনার রহস্য উদঘাটন হবে’।

তবে মেয়ের বান্ধবীর কথা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

আই/এ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন #তাজমিন