দেশজুড়ে

এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর জাল করে মালিকানা পরিবর্তন, দলিল লেখকের সহকারী আটক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেকের স্বাক্ষর জাল করে মিউটিশন (জমির মালিকানা বদল) জালিয়াতির দায়ে কেএম প্রিন্স (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। সে কলাপাড়া দলিল লেখকের সহাকারী হিসেবে কাজ করেন।প্রিন্স পৌর শহরের এতিমখানা রোড এলাকার বাসিন্দা।

 রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর)  দুপুরে ম্যাকটেন হোল্ডিং লিমিটেড নামের একটি কোম্পানীর উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাম্মী আক্তারের মৌখিক অভিযোগে ভিত্তিতে  কলাপাড়া উপজেলা ভূমি অফিস থেকে তাকে আটক করা হয়। কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 ম্যাকটেন হোল্ডিং লিমিটেড এর এইচ আর এডমিন নিবির বলেন, প্রিন্স মিয়া আমার কাছে  দুটি  মিউটেশনের কাগজ দিয়ে কোম্পানিকে আপাতত জানাতে নিষেধ করেন। তখনই আমার সন্দেহ হয়,তাই আমি কোম্পানির উপ পরিচালক শাম্মি ম্যাডামের কাছে কাগজ জমা দেই।

উপ পরিচালক  শাম্মী আক্তারের অভিযোগ, প্রায় ৩ মাস আগে তিনি প্রিন্সের কাছে ৫৬ নং জেএল খাজুরা মৌজার ৭ টি দলিলের মিউটিশন করার কাগজপত্র জমা দেন। পরে প্রিন্স দুটি দলিলের মিউটিশন সম্পান্নের কাগজ শাম্মীর কাছে জমা দিলে সে কিউআর কোড সার্চ দিয়ে দেখেন  মিউটিশন দুটি ভুয়া। এছাড়া ওই মিউটিশনে এ্যাসিল্যান্ডের স্বাক্ষরের স্ক্যান কপি বসানো। আজ দুপুরে এ্যাসিল্যান্ড অফিসে উপস্থিত হয়ে তিনি থানা পুলিশে মৌখিক অভিযোগ করেন এবং প্রিন্সকে হাতেনাতে ধরিয়ে দেন।

কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেক বলেন, এভাবে জালিয়াতি চক্রের প্রতারনার কারনে কুয়াকাটা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। তার কাছে অন্তত ২৭ টি জালিয়াতি ধরা পড়েছে। এসব জালিয়াতির বিরুদ্ধে তিনি আইনী ব্যবস্থান নিচ্ছেন। এধরনের জালিয়াতি ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ৪ ও ৫ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধ।

আই/এ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন #পটুয়াখালী