জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সরকারি দল, তাদের সহযোগী সংগঠন কিংবা প্রশাসনের কোনো অংশ বিরোধী দলের লংমার্চে প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করলে সরকার জনআস্থা আরও হারাবে। জনরোষের মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হবে। তবে সরকারি দল সে পথে হাঁটবে না বলে আশা প্রকাশ করেন এ নেতা।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলের লংমার্চ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
গোলাম পরওয়ার বলেন, আগামীকাল সকাল সাতটা থেকে আটটার মধ্যে শাপলা চত্বরে প্রথম সমাবেশ হবে। এরপর নারায়ণগঞ্জের চিটাগাং রোড, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার ও চৌদ্দগ্রাম, ফেনীর মহিপাল এবং চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সভা হবে। সর্বশেষ সমাবেশ হবে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে।
যানজট বা অন্য কোনো সমস্যা না হলে সন্ধ্যা সাতটার দিকে লংমার্চের বহর লালদীঘি ময়দানে পৌঁছানোর কথা। তবে এ ধরনের কর্মসূচির সময়সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে, তাই সে প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, পথসভার আয়োজন করবে স্থানীয় শাখাগুলো এবং স্থানীয় নেতা-কর্মীরা সেখানে উপস্থিত থাকবেন। তবে গাড়িবহরে থাকা নেতা-কর্মীরা পথসভায় নামবেন না। শুধু যাঁদের বক্তব্য দেওয়ার কথা, তাঁরাই নামবেন।
তিনি আরও বলেন, সব সমস্যার সমাধানে ছয় মাস যথেষ্ট সময় নয়। কিন্তু গণভোটের রায় বাস্তবায়নের সময়সীমার যে ‘ট্রেন’, সেটি স্টেশন ছেড়ে চলে গেছে। ‘ফ্যাসিবাদীরা’ এখন যে আস্ফালন করছে এবং আধিপত্যবাদী শক্তির প্রশ্রয়ে বিভিন্ন ডিভাইস ব্যবহার করে উসকানি দিচ্ছে, তা ছয় মাসের মধ্যে হওয়ার কথা ছিল না।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, এখন পর্যন্ত লংমার্চ ঘিরে নাশকতা বা বিশৃঙ্খলার কোনো আশঙ্কা তাঁরা করছেন না। ১১ দল ঐক্যবদ্ধ আছে। সবাই একসঙ্গে লংমার্চে গেলে দুষ্কৃতিকারীরাও ভয় পাবে।
তিনি বলেন, তবে ন্যূনতম কোনো বিশৃঙ্খলা বা হামলা হলে এর দায় সরকারি দলকে নিতে হবে। এমন ঘটনা ঘটলে তার ‘শক্ত জবাব’ দেওয়া হবে।
আই/এ