ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে একটি সংবাদ সম্মেলনে ভার্চ্যুয়াল অংশগ্রহণে ও ভাষণের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনও সম্পৃক্ততা নেই।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দিল্লিতে নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
জয়সওয়াল বলেন, নয়াদিল্লিতে দক্ষিণ এশিয়ার সাংবাদিকদের সংগঠন ফরেইন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব (এফসিসি) অব সাউথ এশিয়ার আয়োজিত অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার ভাষণ দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশের যে উদ্বেগ রয়েছে, সেই অনুষ্ঠানের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনও ভূমিকা নেই।
তিনি বলেন, এই ফোরামে প্রকাশিত কোন মতামতকেও সরকার সমর্থন করে না।
২০২৪ এর জুলাই আন্দোলনে ঢাকা ছাড়ার পর ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা সেখানে একটি ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানে ভাষণ দেবেন; এমন খবর প্রকাশের পর ভারতের কাছে নিজেদের গভীর উদ্বেগের কথা জানিয়েছিল বাংলাদেশ। ঢাকা বলছে, এ ধরনের আয়োজন দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক ইতিবাচক গতিধারায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতে দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বিমসটেকের বর্তমান সভাপতি হিসেবে পৃথকভাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।’’
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ব্রিকসের আউটরিচ সেশনে অতিথি আমন্ত্রণের যে প্রচলিত নিয়ম রয়েছে, সেই অনুযায়ী এই চিঠি দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য আঞ্চলিক জোটের প্রধানদেরও একইভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
আই/এ