নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় নিখোঁজের একদিন পর পুকুর থেকে জুনাইদ (১৩) নামের এক স্কুল শিক্ষার্থীর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। জুনাইদ উপজেলার বহুলী গ্রামের মো. দিলোয়ার হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় নওপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে ওই গ্রামের একটি পুকুরে তার মরদেহ ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে জুনাইদ নিখোঁজ হয়। পরিবারের লোকজন স্বজনদের বাড়ীসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
পরবর্তীতে আজ বুধবার দুপুর ১টার দিকে স্থানীয় লোকজন একটি পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে কেন্দুয়া থানার ওসি ও নওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সারোয়ার জাহান কাউসার উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি করেন এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
নিহতের চাচাত ভাই মোখলেছুর রহমানের বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে জুনাইদকে হত্যা করা হয়েছে। তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মরদেহ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
ওসি মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আর/আই