২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণার পরদিন ঢাকার কাঁচাবাজারে পণ্যমূল্যে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সবজি আগের মতোই ৫০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে কিছু পণ্যের দাম তুলনামূলক বেশি রয়েছে।
বাজারে প্রতি কেজি করলা ৬০ টাকা, গোল বেগুন ৮০ টাকা, লম্বা বেগুন ৭০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, ঝিঙা ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, ধন্দুল ৬০ টাকা এবং ঢেঁড়স ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজিতে, আর মিষ্টি কুমড়ার দামও ৫০ টাকা কেজি।
তবে শসা ও টমেটোর দাম এখনো বেশি। প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। প্রতি কেজি বরবটির দাম ৮০ টাকা। লাউ প্রতিটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৫০ টাকা, জালি কুমড়া প্রতিটি ৬০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজিতে।
ক্রেতারা জানান, বাজেট ঘোষণার পরদিন বাজারে সবজির দাম আগের মতোই রয়েছে। দাম বাড়েনি, আবার কমেওনি। বেশিরভাগ সবজি ৫০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে, তবে দু-একটি পণ্যের দাম ১০০ টাকার ওপরে।
বিক্রেতারা জানান, মাসের শুরুতে সবজির দাম কিছুটা বেশি ছিল। তবে গত এক সপ্তাহ ধরে বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল। অধিকাংশ সবজি ৫০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। মৌসুম না হওয়ায় টমেটো ও শসার দাম বেশি রয়েছে।
মুরগির বাজারেও বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকায়। ঈদের আগে দাম কিছুটা বেশি থাকলেও এখন তা কমেছে। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৪০ থেকে ৩৬০ টাকায়।
ডিমের দামও তুলনামূলকভাবে নাগালের মধ্যে রয়েছে। ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি ডজন ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মসলার বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। দেশি রসুনের দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি, আর আমদানি করা রসুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায়। আদার দাম প্রতি কেজি ১৪০ থেকে ১৮০ টাকা। আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজিতে।
এমএ//