অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার ইতোমধ্যে ২৩টি দেশের কাছে পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চেয়ে অনুরোধ পাঠিয়েছে। পাশাপাশি আরও ২১টি এমন অনুরোধ পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের বিরোধী দলীয় এক সদস্যের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঠেকাতে বাংলাদেশ ব্যাংক-এর গভর্নরের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, টাস্কফোর্সের সুপারিশের ভিত্তিতে জাতীয় গুরুত্ব বিবেচনায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী ১১টি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মামলা চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব মামলার তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন-এর নেতৃত্বে যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে।
এই যৌথ তদন্ত দলে বাংলাদেশ পুলিশ সিআইডি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল এবং শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর একসঙ্গে কাজ করছে বলে জানান তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার প্রক্রিয়া জোরদার করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো হচ্ছে এবং এ লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আইনগত সহায়তা চাওয়ার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।
এসি//