কক্সবাজারের টেকনাফে বিজিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের কার্গো স্টোর থেকে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ১১ হাজার ২০০ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক রাইডারকে শনাক্ত করা হলেও তিনি পলাতক রয়েছেন। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজার মূল্য ৩৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে টেকনাফ পৌরসভার ইসলামাবাদ এলাকায় স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের অফিসে অভিযান চালিয়ে এ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়ার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে আজ (৩০ জুলাই) এ তথ্য জানা গেছে।
বিজিবি জানায়, গত বুধবার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ পৌরসভার ইসলামাবাদ এলাকায় স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের অফিসে অভিযান চালায় বিজিবি ও টেকনাফ থানা পুলিশ।
অভিযানের সময় ব্লুটুথ স্পিকার হিসেবে ঘোষিত একটি পার্সেল খুলে দেখা যায়, স্পিকারের ভেতরের কালো স্কচ টেপে মোড়ানো ছয়টি প্যাকেটের মধ্যে ১১ হাজার ২০০ ইয়াবা লুকিয়ে রাখা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পার্সেলটি নারায়ণগঞ্জ থেকে টেকনাফে পাঠানো হয়েছিল। পরে ‘পণ্যটি সঠিক নয়’ উল্লেখ করে সেটি ফেরত পাঠানোর জন্য আবার কুরিয়ার সার্ভিসে জমা দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানের তথ্যভাণ্ডার পর্যালোচনায় পার্সেল বহনকারী এক রাইডারের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পলাতক রাইডার মো. জামালের বাড়ি টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে।
আই/এ