সাম্প্রতিক বন্যায় চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার ১৫টি উপজেলা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। এতে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৫ হাজার ২২৮টি বসতবাড়ি, ৪০৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার সড়ক এবং ১৬৯টি সেতু-কালভার্ট।
শনিবার (১৮ জুলাই) চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সবশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে– সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী ও সন্দ্বীপ উপজেলা।
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৫ হাজার ২২৮টি এর মধ্যে ৯ হাজার ২০৮টি বসতবাড়ি আংশিক এবং ৬ হাজার ২০টি বসতবাড়ি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যায় মোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার, ৪০০ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলায় ৬৭০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছিল এবং ২৪৫টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় আশ্রয় নেওয়া সবাই ইতোমধ্যে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন।
চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান জানান,দূর্গত মানুষের জন্য জেলায় ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন চাল, ৯৫ লাখ টাকা নগদ, শিশু খাদ্যের জন্য ৪ লাখ টাকা, গোখাদ্যের জন্য ১০ লাখ টাকা, ১ হাজার বান্ডিল ঢেউটিন এবং গৃহনির্মাণের জন্য ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে ১ হাজার ৮০ মেট্রিক টন চাল, ৮৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, ৪৬ হাজার ১০০ প্যাকেট শুকনো খাবার, শিশু খাদ্যের জন্য ৪ লাখ টাকা এবং গোখাদ্যের জন্য ১০ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
বর্তমানে ১২০ মেট্রিক টন চাল, ১১ লাখ ২৫ হাজার টাকা, ১ হাজার ৪৫ বান্ডিল ঢেউটিন এবং গৃহনির্মাণের জন্য ৩০ লাখ টাকা মজুত রয়েছে।
আই/এ