শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) অ্যানিমেল সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন (এএসভিএম) শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে সংশোধন এনেছে সরকারী কর্ম কমিশন(পিএসসি)। নতুন করে লাইভস্টক ক্যাডারে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) ১৩ শিক্ষার্থীকে সুপারিশ করেছে তারা, এছাড়া শেকৃবির আরও ৪ জন পুণরায় ক্যাডার পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) পিএসসির প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন করে ১৪ জন প্রার্থীকে লাইভস্টক ক্যাডারে সুপারিশের বিষয়টি জানানো হয়।
নতুনভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ জনের মধ্যে ১৩ জন শেকৃবির এএসভিএম অনুষদের শিক্ষার্থী।
জানা যায়, সুপারিশপ্রাপ্ত লাইভস্টক ক্যাডারের প্রথম দশজনের মধ্যে তিনজনই শেকৃবির। এই লিস্টের প্রথম ( আহসান হাবিব সজিব), চতুর্থ, দশম এবং পঞ্চদশ স্থান অধিকারী প্রার্থীরা শেকৃবির।
এর আগে ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর এই অনুষদের রিটেন ও ভাইভা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রায় ১৮ জন বা তার অধিক শিক্ষার্থীর কাউকেই লাইভস্টক ক্যাডারে সুপারিশ করা হয়নি। বিষয়টিকে শুরু থেকেই কারিগরি ত্রুটি (টেকনিক্যাল ফল্ট) বা কোড-সংক্রান্ত জটিলতার ফল বলে দাবি করে আসছিলেন শেকৃবির শিক্ষার্থীরা। যার দরুণ তারা গত ৫ জুলাই থেকে ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করে ৪ দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন শিক্ষার্থীরা।
এ প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সঙ্গে কথা বলার আশ্বাস দেন।
শিক্ষার্থীদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে কম্বাইন্ড ডিগ্রিধারীদের জন্য বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় স্বতন্ত্র কোড চালু, প্রাণিসম্পদ খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিয়োগবিধিতে কম্বাইন্ড ডিগ্রি অন্তর্ভুক্ত করে নিয়োগ-সংক্রান্ত জটিলতার সমাধান, ইন্টার্ন ভেটেরিনারি চিকিৎসকদের ভাতা এমবিবিএস ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা এবং টিএ-ডিএ চালু, পাশাপাশি ৪৭তম বিসিএসে প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শেকৃবির কম্বাইন্ড ডিগ্রিধারী ১৮ জন প্রার্থীর কেউ প্রফেশনাল ক্যাডারে সুপারিশ না পাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা ও সমস্যার সমাধান নিশ্চিত করা।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, পিএসসি ফলাফল সংশোধন করলেও প চারটি দাবিই চুড়ান্তভাবে আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থামাবেন না তারা।