ইরানের রাজধানী তেহরানে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজাকে কেন্দ্র করে জড়ো হওয়া বিপুলসংখ্যক শোকাহত মানুষের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখা গেছে। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন স্থানে টানানো পোস্টার ও দেয়াললিখনে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে হত্যার আহ্বানসংবলিত বার্তাও দেখা যায়।
জানাজায় অংশ নেওয়া ৪২ বছর বয়সী নার্স জিবা নাদেরি বলেন, তিনি প্রতিশোধের আহ্বান শুনেছেন। তবে তার মতে, নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যে নির্দেশ দেবেন, ইরানের জনগণের সেটিই অনুসরণ করা উচিত।
তিনি বলেন, “আমি প্রতিশোধের আহ্বান শুনেছি। কিন্তু আমাদের নেতা আমাদের যা করতে বলবেন, আমাদের অবশ্যই সেটিই করতে হবে।”
জানাজার নামাজের আগে গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের দায়িত্বে থাকা কবি মোহাম্মদ রাসুলি উপস্থিত জনতার সঙ্গে “আমেরিকার মৃত্যু হোক” এবং “ইসরাইলের মৃত্যু হোক” স্লোগান দেন।
পরে লাউডস্পিকারে বক্তব্য দিতে গিয়ে ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে রাসুলি বলেন, “পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট মানুষটি এখনও কেন বেঁচে আছে?” তার এ বক্তব্যের পর উপস্থিত জনতার একাংশ উল্লাসধ্বনি দেয়।
সূ্রূ আল জাজিরা
এসি//