লেবাননে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, হিজবুল্লাহ ও ইসরাইল যুদ্ধ বন্ধে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে।
মঙ্গলবার (০২ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প জানিয়েছেন, সংঘাত নিয়ন্ত্রণে আনতে উভয় পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে। তবে একই সময়ে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে সামরিক অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, হিজবুল্লাহ যদি ইসরাইলি শহরগুলোতে হামলা অব্যাহত রাখে, তাহলে বৈরুতেও হামলা চলবে। একইসঙ্গে দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি সামরিক অভিযান পরিকল্পনা অনুযায়ী অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।
এদিকে ইরানও নতুন করে সতর্কবার্তা দিয়েছে। দেশটির শীর্ষ আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন, লেবাননে ইসরাইলের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকলে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনা স্থগিত করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।
তার এই মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ওপর নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, লেবাননের পরিস্থিতি, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা এবং ইসরাইলের নিরাপত্তা ইস্যু এখন একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত হয়ে পড়েছে। ফলে যেকোনো নতুন সামরিক পদক্ষেপ আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
তবে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।
এমএ//