দেশজুড়ে

ঈদের দিন পুকুরে মিলল নিখোঁজ সিএনজি চালকের মরদেহ

বায়ান্ন প্রতিবেদন

ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ঈদের দিন পুকুর থেকে হোসেন মিয়া (৩৭) নামে এক নিখোঁজ সিএনজি চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেলে পৌর শহরের টি. আলী বাড়ি মোড় এলাকার একটি পুকুর থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত হোসেন মিয়া কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সালদা গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে। পেশায় তিনি একজন সিএনজি চালক ছিলেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে টি. আলী বাড়ি মোড় এলাকার একটি পুকুরে ভাসমান কিছু দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে কাছে গিয়ে সেটি মানুষের মরদেহ বলে নিশ্চিত হন তারা। খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। পরে খবর পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় মরদেহ উদ্ধার করে।

এদিকে মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন নিহতের স্বজনরা। তারা জানান, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি তাদের নিখোঁজ স্বজন হোসেন মিয়ার। মরদেহের চেহারা দেখে পরিবারের সদস্যরা তাকে শনাক্ত করেন। এ সময় স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে এলাকায় শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

নিহতের এক স্বজন জানান, গত ২৫ মে নিজ এলাকা চান্দলা থেকে একটি রিজার্ভ যাত্রী নিয়ে কসবা উপজেলার কুটি এলাকায় যান হোসেন মিয়া। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান না মেলায় স্ত্রী মোছা. সালমা বেগম ব্রাহ্মণপাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে ঈদের দিন বিকেলে কসবায় পুকুরে লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে তারা হোসেন মিয়ার মরদেহ শনাক্ত করেন।

কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ নাজনীন সুলতানা জানান, পুকুর থেকে একটি ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

 

পিডি