যুক্তরাষ্ট্র চাইলে একরাতের মধ্যেই ইরানকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিতে পারে। এমন মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, আগামীকাল রাতই হতে পারে সেই রাত।
স্থানীয় সময় সোমবার (০৬ মার্চ) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, মঙ্গলবার রাত ৮টার (বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোর ৬টা) মধ্যে কোনো সমঝোতা না হলে ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে।
তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন ইরানের পক্ষ থেকে একটি ‘সক্রিয় ও আন্তরিক’ পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে এবং কিছু দেশ সংঘাত নিরসনে সহায়তা করছে।
নিখোঁজ এক মার্কিন সেনাসদস্যকে উদ্ধারের প্রসঙ্গে ট্রাম্প জানান, দ্বিতীয় উদ্ধার অভিযানে ১৫৫টি বিমান অংশ নেয়। এর মধ্যে বোমারু, যুদ্ধবিমান ও জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাংকার ছিল। অভিযানে বিশেষ বাহিনীর সদস্যরাও যুক্ত ছিলেন।
এদিকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র পরিচালক জন র্যাটক্লিফ বলেন, ইরানকে বিভ্রান্ত করতে একটি বিশেষ কৌশলগত অভিযান চালানো হয় এবং গোপন উপায়ে নিখোঁজ সেনার অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
ট্রাম্প জানান, উদ্ধার অভিযানের সময় বড় ধরনের ঝুঁকি ছিল। এমনকি সংবেদনশীল সামরিক প্রযুক্তি শত্রুপক্ষের হাতে পড়ার আশঙ্কায় দুটি বিমান ধ্বংস করে দিতে হয়েছে।
তিনি আরও দাবি করেন, গেল ৩৭ দিনে ইরানের আকাশে ১০ হাজারের বেশি বিমান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ১৩ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান নয়, যুক্তরাষ্ট্রই এখানে টোল নেবে।’ তিনি ন্যাটোসহ কিছু মিত্র দেশের সমালোচনা করে বলেন, তারা এই সংঘাতে পর্যাপ্ত সহায়তা দেয়নি।
অন্যদিকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, সামনের দিনগুলোতে ইরানে আরও বড় মাত্রার হামলা হতে পারে।
এমএ//