রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের পক্ষে শুনানির জন্য স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফৌজদারি মামলায় অভিজ্ঞ একজন আইনজীবীকে আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে নিয়োগ দিতে আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর উইংকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ওই বেঞ্চের কার্যতালিকায় মামলাটি শুনানির জন্য রয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির সাজা অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স এবং আসামিদের জেল আপিলের শুনানির প্রস্তুতি চলছে। ইতোমধ্যে বিজি প্রেস থেকে মামলার পেপারবুক তৈরি হয়ে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছেছে। বর্তমানে সেটির যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলছে।
পেপারবুক প্রস্তুতির কাজ শেষ হওয়ায় শিগগিরই হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে মামলাটির চূড়ান্ত শুনানি শুরু হতে পারে।
আইন অনুযায়ী, কোনো নিম্ন আদালত কোনো আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলে তা কার্যকর করার আগে হাইকোর্টের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। এই অনুমোদনের প্রক্রিয়াই ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে পরিচিত।
এর আগে গত ৯ জুন ঢাকার নিম্ন আদালত থেকে মামলাটির ডেথ রেফারেন্সের নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন স্বাক্ষরের পর নথিটি উচ্চ আদালতে আসে।
গত ৭ জুন আসামিদের উপস্থিতিতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে মূল আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
এসি//