রাশিয়ায় ড্রোন হামলায় জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে তার পরিবার দাবি করেছে।
রোববার (১৪ জুন) পরিবারের সদস্যরা তার মৃত্যুর খবর জানতে পারেন। নিহত যুবকের নাম মাফল। তিনি মাদারগঞ্জ উপজেলার কড়ইচড়া ইউনিয়নের চর গুজামানিকা গ্রামের বাসিন্দা এবং বানু মিয়ার ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় মাস আগে জীবিকার সন্ধানে তিনি রাশিয়ায় যান। তবে মে মাসের ২৯ তারিখ এর পর থেকে তার সঙ্গে পরিবারের কোনো যোগাযোগ ছিল না। দীর্ঘদিন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার পর স্বজনরা তার মৃত্যুর খবর পান।
মাফলের চাচা আনিস জানান, একটি এজেন্সির মাধ্যমে রাজমিস্ত্রির কাজের আশ্বাসে মাফলকে রাশিয়ায় পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পর তাকে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে তাকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয় এবং সেখানেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় ড্রোন হামালায় তিনি নিহত হন বলে তারা দাবি করেন।
নিহতের ভাই আশরাফুল ইসলাম বলেন, পরিবারের একমাত্র দাবি হলো সরকারের সহায়তায় মাফলের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা।
একই দাবি জানিয়েছেন তার বোন আছিয়াও।
তিনি বলেন, মাফল সহ প্রায় ৩০ জন বাংলাদেশি একসঙ্গে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন এবং তাদেরও সামরিক ক্যাম্পে নেওয়া হয়েছিল।
এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন চৌধুরী জানান, রাশিয়ায় এক বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর তিনি শুনেছেন। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার পর বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
পি/ডি