ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর শুরু হয়েছে ভোট গণনা।
ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী নিয়ে গঠিত আসনটির ১৮৫টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। গণনা শেষে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল সংগ্রহ ও সমন্বয় করে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হবে।
সকালে ভোটারদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে। নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৫২ শতাংশ ভোট পড়েছিল। তবে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর মোট ভোটের হার এখনো জানা যায়নি।
নির্বাচন ঘিরে কেন্দ্রগুলোতে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। পুলিশের পাশাপাশি স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, সে জন্য সতর্ক অবস্থানে ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
এদিকে, ভোটগ্রহণ চলাকালে সকালে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন।
বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন অভিযোগ করেন, ডাব প্রতীকের এজেন্টরা সবাই জামায়াতের এজেন্ট হয়ে গেছেন। জামায়াতের এজেন্টরা ডাব প্রতীকের কাগজ নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, কেন্দ্রে গিয়ে তিনি প্রিসাইডিং কর্মকর্তার পরিচয়পত্রে কোনো ছবি দেখতে পাননি। সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের পরিচয়পত্রেও ছবি নেই বলে শুনেছেন।
ছবি না থাকলে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি প্রকৃত কর্মকর্তা কি না, তা নিশ্চিত হওয়া কঠিন বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিষয়টিকে উদ্বেগজনক বলেও উল্লেখ করেন জামায়াতের এই প্রার্থী।
এমএ//