সব দিক বিবেচনা করেই রোজার পর এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আপাতত পরীক্ষা পেছানোর কোনো কারণ দেখছেন না তিনি।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে চীন সফর-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা জানান।
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, সব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই রোজার পর এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমানে পরীক্ষা পেছানোর প্রয়োজনীয়তা নেই।
সংবাদ সম্মেলনে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি বলেন, এই খাতকে আরও এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করছে। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় যেসব দুর্বলতা রয়েছে, সেগুলো সম্পর্কে সরকার অবগত এবং তা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষক সংকটের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ ও সংকট সমাধানে কাজ চলছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বলেন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় চীনের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই ক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে দেশটির উল্লেখযোগ্য সাফল্যও রয়েছে। চীনের অভিজ্ঞতা ও সাফল্য থেকে বাংলাদেশ কীভাবে উপকৃত হতে পারে, সে লক্ষ্যেই দেশটির আমন্ত্রণে সফরটি করা হয়েছে।
তিনি জানান, কারিগরি শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার বিষয়ে চীনের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
এ ছাড়া শিক্ষার তৃতীয় ভাষা হিসেবে ম্যান্ডারিন বা চীনা ভাষাকে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান ড. মাহদী আমিন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে অনেক চীনা কোম্পানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব প্রতিষ্ঠানে দক্ষ জনশক্তি সরবরাহের লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।
কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতেই সরকার কাজ করছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা।
এসি//