নেত্রকোনার মদনে তথ্য গোপন করে দ্বিতীয় বিয়ে করতে যাওয়া বরযাত্রীসহ অবরুদ্ধ হন ছাত্রদল নেতা সাদান। পরে ৫ লক্ষ টাকা দিয়ে ছাড়া পান সাদান সুহ বরপক্ষের লোকজন। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ হয়ে প্রথম স্ত্রীর বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে ঐ ছাত্রদল নেতা। এতে একজন আহত হয়েছেন। সাব্বির আহমেদ সাদান উপজেলার তিয়শ্রী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ও বাঘমারা গ্রামের আসাদুজ্জামান আজাদের ছেলে।
শনিবার (১৩ জুন) সকালে মদন উপজেলার বাসিন্দা ধনাই মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। মদন থানার পরিদর্শক তদন্ত অসীম কুসার দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান , ২০২২ সালে প্রতিবেশী ধনাই মিয়ার মেয়ে আইমনা আক্তারকে গোপনে বিয়ে করেন সাদান। বিয়ের পর থেকেই তারা গোপনে সংসার করে আসছিল তারা। প্রথম বিয়ের বিষয়টি গোপন রেখে পারিবারিকভাবে কেন্দুয়া উপজেলার এক ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতির মেয়ের সাথে বিয়ে ঠিক হয় সাদানের।
বিয়ের তারিখ অনুযায়ী শুক্রবার (১২জুন) বরযাত্রী নিয়ে কনের বাড়িতে যান সাদান। খবর পেয়ে প্রথম স্ত্রী কনের বাবাকে তাদের বিয়ের বিষয়টি জানান। বিষয়টি জানতে পেরে কনে পক্ষের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে বরপক্ষের লোকজনদের মারধর করে আটকে রাখেন। পরে কয়েক দফা আলোচনা করে ৫লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়ে ছাড়া পায় বর পক্ষের লোকজন।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে প্রথম স্ত্রীর বাড়িতে সাদান তার লোকজন নিয়ে হামলা চালায়। এতে স্ত্রীর বড় বোন সুমনা আক্তার আহত হয়। হামলা থেকে বাঁচতে ৯৯৯ নাম্বারে কল দেয় প্রথম স্ত্রী। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।
সাদানের বাবা আসাদুজ্জামান আজাদ জানান, ‘আমার ছেলে আগে একটা বিয়ে করেছে সেটা আমার জানা ছিল না। আগে জানলে তো আর কেন্দুয়া গিয়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হতো না’।
ওসি অসীম কুমার দাস জানান, জরুরী সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থনে যায়। বিয়ে সংক্রান্ত ঘটনায় এক নারীকে মারধর করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আই/এ