আইন-বিচার

মাদ্রাসা থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার, ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষার্থী রিমান্ডে

ঢাকার রামপুরায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় ওই মাদ্রাসার ছাত্র মো. শিহাব হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। গত মঙ্গলবার রাতে রামপুরার বনশ্রী সি-ব্লকে আলোকিত কুরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসাথেকে গামছা দিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মো. আব্দুল্লাহ নামে ১০ বছর বয়সী এক শিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামান এই আদেশ দেন। গত বুধবার আবদুল্লাহর মা রামপুরা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এর আগে আসামীকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা রামপুরা থানার এসআই সাইফুল ইসলাম। 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুল ধরে বলেন, “এমন ঘটনা দেশের জন্য লজ্জাজনক। গতকালও একটা শিশু ধর্ষণের পর হাত, পা কেটে ফেলা হয়েছে। মাদ্রাসায় কয়দিন পর পর এমন ঘটনা ঘটে। ওস্তাদের সেবা করতে হবে। তারা শুয়ে থাকেন আর ছাত্রদের দিয়ে হাত-পা টেপান। এগুলো করতে করতে তারা (ওস্তাদেরা) এক সময় এতে আকৃষ্ট হন এবং বলাৎকারের মতো ঘটনা ঘটে। এগুলো দেশের জন্য, সমাজের জন্য মানহানিকর। শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় ধাক্কা। তার সর্বোচ্চ সাত দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করছি।

শুনানিতে আসামীর পক্ষে কোন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।

পুলিশ জানিয়েছে, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন পায়ুপথে অস্বাভাবিক যৌনাচারের লক্ষণ দেখা গিয়েছে।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এর আগে শিহাব হোসেনের বিরুদ্ধে মাদ্রাসার চার ছাত্রের ওপর যৌন নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে।

আই/এ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন #রামপুরা