যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি বলেছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় তার একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে এবং এতে তেলের দাম কমে আসবে বলে তিনি আশা করছেন।
দক্ষিণ ফ্লোরিডার ডোরাল এলাকায় নিজের গলফ ক্লাবের বলরুমে আয়োজিত তিন দিনের সম্মেলনে হাউস রিপাবলিকানদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।
সেখানে তিনি বলেন, “আমার সবকিছুর জন্য একটি পরিকল্পনা আছে। আমি আশা করি, আমেরিকানরা এতে খুব খুশি হবে এবং তেলের দাম কমে যাবে।”
সোমবার (০৯ মার্চ) এক সংক্ষিপ্ত টেলিফোন সাক্ষাৎকারেও ট্রাম্প একই মন্তব্য পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা বা যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ হতে পারে এবং তিনি বিষয়টি নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই ঘোষণা করেছিলেন। তবে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, যদি ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী ট্যাঙ্কারের চলাচলে বাধা দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর জবাব দেবে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, যদি ইরান এমন কিছু করে যাতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর এখন পর্যন্ত যতটা আঘাত হেনেছে, তার চেয়ে ২০ গুণ বেশি আঘাত হানবে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে সহজেই ধ্বংসযোগ্য বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে সক্ষম, যা ইরানের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে না।
এদিকে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে তার কঠোর অবস্থানকে চীনসহ অনেক দেশই ইতিবাচক হিসেবে দেখবে। তার মতে, এতে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ এবং গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথের নিরাপত্তা বজায় থাকবে।
এসি//