অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, তিনি কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়ে দিয়েছেন। উপদেষ্টাদের অনেকেই জমা দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।
উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি আর কোথাও যাবো না। খুব জরুরি কিছু নাই। আমি সাধারণত জরুরি মিটিং ছাড়া কোনো মিটিংয়ে যাই না। শুধু আমি না, অনেকে দিয়ে দিয়েছে, আমাদের দিতে তো হবে’।
নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের যে চুক্তিটা হচ্ছে সেটার ব্যাপারে তার জানা নাই। কারণ এর সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত নন।
নির্বাচনে গণভোট হওয়াতে খরচের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, এর সঠিক পরিমাণ তিনি জানেন না। তবে পরিমাণ খুব বেশি না। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য যা দরকার সেটি খরচ হয়েছে। যেমন সিসি ক্যামেরা লাগবে। এগুলোর ব্যাপারে মন্ত্রণালয় কোনো কার্পণ্য করেনি এবং যে টাকা চাওয়া হয়েছে সেটি দিয়ে দেয়া হয়েছে। অতিরিক্ত কিছু কমিশন চেয়েছে সেটাও তিনি দিয়ে দেয়ার কথা বলেছেন।
সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের অর্থনীতি একটা সন্তোষজনক জায়গায় রেখে যাবেন। সামনে যে সরকার আসবে ওদের জন্য তেমন কোনো অসুবিধা হবে না। অর্থনীতি আগের মতো নড়বড়ে অবস্থায় নেই।
তিনি বলেন, এ সরকার যেমন সর্বোচ্চ ঋণ করেছে, তেমনি সর্বোচ্চ ৬ বিলিয়ন ডলার ঋণ শোধও দিয়েছে।
আই/এ