জাতীয়

ঈদের নামাজ শেষে বাবা-মার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায়ের পর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নেয়ার পর সকাল ৮টা ৩৮ মিনিটে শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাবা-মায়ের সমাধিস্থলে যান তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান।

প্রথমে তারা ব্যক্তিগতভাবে কবর জিয়ারত করেন। পরে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এরপর বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বাবা-মায়ের কবরের সামনে দোয়া ও মোনাজাত করেন তারেক রহমান। পরে তিনি নেতাদের সঙ্গে নিয়ে সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেন, বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা একেএম শামসুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান এবং সংসদ সদস্য এসএম জাহাঙ্গীর।

পরে বনানীতে ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর কবরে যান তারেক রহমান। সেখানে তিনি ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন জুবাইদা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমদ, এজেডএম জাহিদ হোসেন ও মীর শাহে আলম।

এর আগে সকাল সাড়ে ৭টায় রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতে অংশ নেন তারেক রহমান। ওই জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিদেশি কূটনীতিকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

ঈদের নামাজে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে খুতবা পাঠ করা হয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে ঈদের প্রধান জামাত আয়োজন উপলক্ষে নেওয়া হয় ব্যাপক প্রস্তুতি। নারী মুসল্লিদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ ও পৃথক নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়। পাশাপাশি ভিআইপি অতিথিদের জন্যও বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়।

মুসল্লিদের সুবিধার্থে পর্যাপ্ত ওজুখানা, চিকিৎসাসেবা ও মেডিকেল টিমসহ প্রয়োজনীয় নানা ব্যবস্থা রাখা হয়।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার নারী মুসল্লির জন্য ছিল পৃথক ব্যবস্থা।

 

এসি//

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন