স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, চার কোটি পরিবার ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবে। এ কার্ডের জন্য কাউকে ঘুষ দেওয়ার দরকার নেই। পর্যায়ক্রমে সবাই এ কার্ড পাবেন। প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এটি বিএনপি সরকারের সিদ্ধান্ত।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্রগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে বন্যায় দুর্গত মানুষের পুনর্বাসনে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, তারেক রহমানের সরকার জনগণের সরকার। সেজন্য তিনি জনগণের জন্য সিগনেচার কিছু প্রজেক্ট দিয়েছেন,যার একটি হলো ফ্যামিলি কার্ড। বেহেশতের লোভ দেখিয়ে নয়, বিদ্যুৎ-গ্যাস, রাস্তাঘাট, শিক্ষা ও খেলাধুলাসহ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেই জনগণের কাছে আবার ভোট চাইবে বিএনপি।
তিনি বলেন, সরকারের মেয়াদ এখনও অল্প সময়ের। বিদ্যুৎ ও গ্যাসসহ বিভিন্ন খাতে পরিবর্তন আনতে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাঁচ বছর পর জনগণের কাছে গিয়ে সরকারের কাজের হিসাব দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জামায়াতের দুই নেতাকে মন্ত্রী করেছিলেন। এর মাধ্যমে তাদের ‘রাজাকারের তকমা’ দূর করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু জামায়াত এখন সেসব কথা ভুলে গেছে।
মীর শাহে আলম বলেন, বন্যার্তদের সহায়তায় সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। আকস্মিক ভারী বর্ষণ ও বন্যায় বাঁশখালী, চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের সহায়তা করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশেই তিনি বাঁশখালীতে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আই/এ