বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাস নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়া যুবকের বিরুদ্ধে প্রশাসন আইনি ব্যবস্থা নিয়েছে। কারণ এটি অপরাধের পর্যায়ে পড়ে। কিন্তু বিরোধী দল তা সমর্থন না করে তাকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলছে। এতে করে তারা অন্যায় ও অবৈধ পন্থাকে উৎসাহ দিয়েছে। সমাজে ঘৃণা ও অসভ্য কথাবার্তাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে; যা খুবই নিন্দনীয়।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে গণমাধ্যমকে ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন,বিরোধী দল সংসদের ভেতরে ও বাইরে কথা বলতে পারেন। আপনারা সরকারের ভুলত্রুটি ধরিয়ে দিতে পারেন। কিন্তু তার পরিবর্তে ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করছেন। গণবিরোধী কাজ নিয়ে এগোচ্ছে , জনগণ যা ভালোভাবে নিচ্ছে না।দেশে গণতন্ত্রের যে কাঠামো, যে চারা গাছটি ওঠা শুরু করছিল, তা বিনষ্ট করার চক্রান্ত হচ্ছে।
তিনি বলেন, বিরোধী দলের দাবি, গত ৬ মাসে সরকার সবক্ষেত্রেই ব্যর্থ। অথচ আমাদের দায়িত্ব নেওয়ার সময় রিজার্ভের পরিমাণ তলানিতে ছিল। কিন্তু গত কয়েক মাসে তা আড়াই গুন বেড়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্যাস এবং জ্বালানি নিয়ে যদি বিকল্প কোনো প্রস্তাব বিরোধী দলের থাকতো, তাহলে সেটা পার্লামেন্টে আলোচনা করতেন। তারা বলতে পারতেন এই হচ্ছে আমাদের বিকল্প প্রস্তাব। তারা ডাটা-স্ট্যাটিস্টিকস দিয়ে বা বিভিন্ন তথ্য দিয়ে, কোন পথ দিয়ে কিভাবে জ্বালানি আনা যায়- সেটা নিয়ে উনারা কিন্তু কোনো কথা বলেননি। দায়িত্বশীল বিরোধী দল উন্নত গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে কথা বলে, তারা সেভাবে বলেননি। বরং প্রথমেই তারা স্ট্রিট ফাইটিংয়ে নেমে পড়ছেন বা এ ধরনের হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন।
আই/এ