নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় হেলাল উদ্দীন ওরফে হাফিজুর রহমান (৩০) নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১২বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ ওঠেছে। বিষয়টি জানাজানির পর ওই শিক্ষক বর্তমানে পলাতক রয়েছে। অভিযুক্ত হেলাল উদ্দীন ওরফে হাফিজুর রহমান জেলার দুর্গাপুরের কাকৈরগড়া রামনগর গ্রামের মৃত ইসলাম উদ্দিনের ছেলে। তিনি কেন্দুয়া রোয়াইলবাড়ি আমতলা ইউনিয়নের কৈলাটি রামচন্দ্রপুর আমিনা-আজিজুল নুরে মদীনা হেফজুল কোরআন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক।
সোমবার (১৫ জুন) রাতে শিশুটির মা বাদী হয়ে ওই শিক্ষককে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। আজ (১৬ জুন) সন্ধায় কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী মাকসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়,ভুক্তভোগী বালক উপজেলার রোয়াইলবাড়ি আমতলা ইউনিয়নের কৈলাটি রামচন্দ্রপুর আমিনা আজিজুল নুরে মদীনা হেফজুল কোরআন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। গত ১২ জুন দুপুরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী টয়লেট থেকে দেরী করে আসে। তখন শিশুটির মা'র সন্দেহ হয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সে বড় হুজুরের দ্বারা বলাৎকার হওয়ার কথা জানায়।
শিশুটি আরও জানায় গত ৬-৭ মাস ধরে এ ধরনের নির্যাতন করছেন ওই শিক্ষক। পরে শিশুটির মা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন। তাদের পরামর্শে থানায় তিনি মামলা দায়ের করেন।
মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মো. আনিসুজ্জামান সিদ্দিকী (রেনু) বলেন, ‘অভিযোগটি ভুক্তভোগীর পরিবার আমাকে জানায়। তাদেরকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি’।
ওসি মো. মেহেদী মাকসুদ বলেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আই/এ