নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে সুমা আক্তার (৩০) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। এতে উভয় পক্ষের আরও অন্তত ২০জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৭জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সুমা আক্তার (৩০) উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের কোনাপাড়া গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে উপজেলার রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নের আমতলা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদি মাকসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কেন্দুয়া উপজেলার আমতলা গ্রামের নুর ইসলাম ও প্রতিবেশী শাহীন মিয়া এবং বাবুল মিয়ার পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে সকালে শাহীন ও বাবুল তার লোকজন নিয়ে বিরোধপূর্ণ জমিতে এস্কেভেটর মেশিন দিয়ে মাটি কাটতে যায়। তখন নুর ইসলামের লোকজন বাঁধা দেয়। পরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে উভয়পক্ষের বেশ কিছু লোক আহত হন। আহতদের মধ্যে নুর ইসলাম পক্ষের গুরুতর আহত নারী সুমা আক্তার মারা যান। এছাড়া আহতদের মধ্যে ৭জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
আহতরা হলেন- ইদ্রিস মিয়া স্ত্রী আছমা আক্তার, কুদ্দুস মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়া ও মেয়ে শারমিন, মৃত সামসুদ্দিনের স্ত্রী হারুনা খাতুন ও ছেলে শাহীন মিয়া , খায়রুল মিয়ার মেয়ে লিমা আক্তার, শাহনেওয়াজের ছেলে নূরুল ইসলাম। তারা সবাই উপজেলার রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নের আমতলা গ্রামের বাসিন্দা।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদি মাকসুদ জানান, বুধবার সকালে জমিতে এক্সেভেটর দিয়ে মাটি কাটা কে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সুমা আক্তার নামে এক নারী নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আই/এ