উচ্চতর প্রশিক্ষণে জাপান যাচ্ছেন ১৭ বিচারক ও ৬ আইনজীবী
বিচারপ্রাপ্যতা নিশ্চিত করা ও আইনি সেবার পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিতে জাপান যাচ্ছেন বাংলাদেশের ১৭ বিচারক ও ৬ আইনজীবী। জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে আগামী ১ থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
বুধবার (০৭ অক্টোবর) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের পরিকল্পনা শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জাপান সফরকারী প্রতিনিধি দলে বিচারক ছাড়াও আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন, আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর এবং জেলা বার সমিতির প্রতিনিধিরা থাকছেন।
প্রতিনিধি দলের সদস্যরা হলেন—নরসিংদীর জেলা ও দায়রা জজ শেখ হুমায়ুন কবীর, কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ মো. হেমায়েত উদ্দিন, বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেন, আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. মাসুম বিল্লাহ, হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার এএইচএম তোয়াহা, হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা মো. মাজহারুল হক এবং আইন ও বিচার বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. সাইফুদ্দীন হোসাইন।
এ ছাড়া দলে রয়েছেন মো. মঈনউদ্দিন কাদির, মুহাম্মদ আশেকুর রহমান, বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক মো. ফরিদুজ্জামান, বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আশরাফুজ্জামান, কুমিল্লার প্রধান আইনগত সহায়তা কর্মকর্তা মনিকা খান, বরিশালের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মনিরুজ্জামান, নরসিংদীর যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. তৌহিদ আল আজাদ, ঝিনাইদহের সিনিয়র দেওয়ানি জজ অনুশ্রী রায়, বগুড়ার দেওয়ানি জজ মো. রকিবুল হাসান এবং বরিশালের দেওয়ানি জজ মো. জাহিদুল ইসলাম।
আইনজীবীদের মধ্যে রয়েছেন নরসিংদী জেলা বার সমিতির মোহাম্মদ আলী, মোহাম্মদ কাইয়ুম ও আফরোজা বেগম এবং কুমিল্লা জেলা বার সমিতির আয়েশা বেগম, সরকার গিয়াস উদ্দিন মাহমুদ ও শাহিদা আনোয়ার।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, প্রশিক্ষণ ও সফরের পুরো সময়কে অংশগ্রহণকারীদের কর্মকালীন সময় হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এ সফরের যাবতীয় ব্যয় জাইকা বহন করবে। ফলে এ জন্য বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় বা বৈদেশিক মুদ্রায় কোনো অর্থ ব্যয় হবে না।
প্রতিনিধি দলটি আগামী ১ নভেম্বর অথবা এর কাছাকাছি সুবিধাজনক সময়ে জাপানের উদ্দেশে বাংলাদেশ ত্যাগ করবে। প্রশিক্ষণ শেষে ১৪ নভেম্বর তাদের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
এসি//