দেশজুড়ে

আত্মগোপনে থাকা স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্ব-পরিবারে উদ্ধার

আত্মগোপনে থাকা চাঁদপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাস ও তার পরিবারের ৪ সদস্যকে চট্টগ্রামের পটিয়ার নিজ বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশের একটি টিম। পিন্টু দাস চাঁদপুর শহরের কুমিল্লা রোডের আখন্দ মার্কেটে ‘এস কে জুয়েলার্স অ্যান্ড শিল্পালয়’ নামে একটি দোকানের স্বত্তাধিকারী।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরে চট্টগ্রামের পটিয়া এলাকায় তার পৈর্তৃক বাড়ি থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

স্থানীয়রা জানায়, পিন্টু দাস শহরের জোড়পুকুর পাড়, কালীবাড়ি মন্দির এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে জুয়েলারির দোকান চালানোর পর সর্বশেষ আখন্দ মার্কেটে দোকান দেন তিনি। স্বর্ণালংকার বন্ধকি ব্যবসার সঙ্গেও তিনি জড়িত ছিলেন। বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে স্বর্ণ বন্ধক রাখার পর সময়মতো স্বর্ণ ফেরত না দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সমিতি থেকেও ব্যবসার নামে ঋণ নিয়েছিলেন। এসব ঘটনায় সালিসও হয়েছে।  

এক বছর আগে পিন্টু দাসের কাছে কিছু স্বর্ণ বিক্রির জন্য দিয়েছিলেন শহরের নতুন বাজারের পাটোয়ারী বাড়ির এক ব্যক্তি। ওই স্বর্ণের দাম প্রায় সাড়ে সাত লাখ টাকা। কিন্তু পিন্টু টাকা দিতে নানা টালবাহানা করছিলেন। পরে বিষয়টি নিয়ে সালিস হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় ওই ব্যক্তিকে তিনটি চেকের মাধ্যমে ছয় লাখ টাকা দেবেন পিন্টু। ২০ আগস্টের মধ্যে টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগে ১৯ আগস্ট রাতে তিনি ভাড়া বাসা থেকে মালামাল নিয়ে সপরিবার পালিয়ে যান বলে শোনা যাচ্ছে।

রাসেল খান নামের ব্যাক্তি জানান, পিন্টু দাসের কাছে আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার বন্ধক রেখে ৫০ হাজার টাকা তিনি নিয়েছিলেন। টাকা ফেরত দিয়ে স্বর্ণালংকার নিতে গেলে পরে যোগাযোগ করতে বলেন। এর মধ্যেই পিন্টু দাসের সপরিবার নিখোঁজ হওয়ার খবর পেয়েছেন। স্বর্ণালংকার না পাওয়ায় ঘটনায় তিনি থানায় অভিযোগও করেছেন।

ওসি ফয়েজ আহমেদ জানান, পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে স্বর্ণ ও টাকাপয়সা আত্মসাৎ করার অভিযোগ আছে। তবে তার সপরিবার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত পুলিশের কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। এই ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান আছে বলে জানান তিনি।

 

আর/আই

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন