আন্তর্জাতিক

আবারও ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া, নিহত ৪৭

মাত্র ১২ ঘন্টার ব্যবধানে ফের ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৯। এর আগে ৭দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প ও ৩৪১টি আফটার শকে কেঁপেছিল দেশটি।

শনিবার (১৫ আগস্ট) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৫টা ৫৪ মিনিটে দেশটির উত্তর সুমাত্রা প্রদেশে এই নতুন কম্পন অনুভূত হয়।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপসংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য মতে, নতুন ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর সুমাত্রা প্রদেশের পেমাতাংসিয়ানতার শহর থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে, ভূগর্ভের ১৮৩ দশমিক ২ কিলোমিটার গভীরে। এই কম্পনে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি এবং সুনামি সতর্কবার্তাও জারি করা হয়নি।

ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল পেমাতাংসিয়ানতার শহরের ৭ কিলোমিটার উত্তর - পশ্চিমে, ১৮৩ দশমিক ২ কিলোমিটার গভীরে।  এতে তাৎক্ষণিক বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়নি।

এর আগে শনিবার ভোরে পূর্ব নুসা তেঙ্গারায় সাগরের তলদেশে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে হওয়া এই ভূমিকম্পের পর ৩৪১টি আফটার শক রেকর্ড করা হয়। প্রথমে সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও তিন ঘণ্টা পর তা প্রত্যাহার করা হয়। শনিবারের ভূমিকম্পে ৫১ জন নিহত, ৫৪টি ভবন ধসে পড়ার পাশাপাশি কয়েকশ আংশিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে প্রশান্ত মহাসাগরীয় রিং অব ফায়ার বা আগ্নেয় মেখলা অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্প একটি নিয়মিত ঘটনা। এর আগে ২০০৪ সালে ৯ দশমিক ১ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামিতে দেশটিতে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

এআর//

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন