ফুটবল

বেলজিয়ামকে হারিয়ে সেমিফাইনালে স্পেন, প্রতিপক্ষ ফ্রান্স

টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট হিসেবে মাঠে নেমে বেলজিয়ামের বাধা টপকে গেল স্পেন। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর বেলজিয়ামকে ২-১ গোল ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে লুইস ডি লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে স্প্যানিশদের প্রতিপক্ষ পরাশক্তি ফ্রান্স।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতের এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে শুরুতে কিছুটা চমক ছিল স্পেনের একাদশে। পেদ্রির জায়গায় আজ শুরুর একাদশেই সুযোগ পান ফ্যাবিয়ান রুইজ। কোচের সেই আস্থার শতভাগ প্রতিদান দিতে আধ ঘণ্টাও সময় নেননি তিনি।

ম্যাচের ৩০তম মিনিটে চমৎকার এক আক্রমণ থেকে স্পেনকে এগিয়ে নেন এই মিডফিল্ডার। ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে দানি ওলমোর নেওয়া জোরালো শট বেলজিয়ান গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া ফিরিয়ে দিলেও বল পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে পারেননি। রিবাউন্ডে ধেয়ে আসা বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে শট নেন রুইজ। বেলজিয়ান ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে বল জালে জড়ালে ১-০ তে লিড নেয় স্পেন।

পিছিয়ে পড়ার পর সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে বেলজিয়াম। স্পেনের এতদিনের দুর্ভেদ্য রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে দুর্দান্ত এক পাল্টা-আক্রমণ চালায় তারা। ম্যাচের ৪১তম মিনিটে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমনকে পরাস্ত করে বেলজিয়ামকে সমতায় ফেরান চার্লস ডি কেটেলারা।

চলতি বিশ্বকাপে স্পেনের জালে জড়ানো এটিই প্রথম গোল। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত কোনো গোল হজম না করা স্পেনের রক্ষণদুর্গ অবশেষে ভাঙতে সফল হয় বেলজিয়াম। ১-১ গোলের সমতা নিয়েই বিরতিতে যায় দুদল।

দ্বিতীয়ার্ধে বড় ধাক্কা খায় বেলজিয়াম শিবির। চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন প্রধান গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। তার পরিবর্তে স্পেনের বিধ্বংসী আক্রমণভাগকে সামলানোর কঠিন দায়িত্ব নিয়ে মাঠে নামেন তরুণ গোলরক্ষক সেনে ল্যামেন্স।

ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে গড়াচ্ছিল, ঠিক তখনই স্পেনের জয়সূচক গোলটি আসে। ৮৮তম মিনিটে বেলজিয়ামের ডি-বক্সের ভেতর জটলা থেকে বল পেয়ে যান স্প্যানিশ মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো। সুযোগ হাতছাড়া না করে ঠান্ডা মাথায় নিখুঁত শটে বল গোলপোস্টের মাঝখান দিয়ে জালে পাঠান তিনি।

শেষ মুহূর্তে আর কোনো গোল না হওয়ায় ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন।

 

আর/আই

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন