ডেঙ্গু মোকাবিলায় জেলা থেকে উপজেলা পর্যায়ে প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সমন্বিত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
রোববার (৫ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর ডেঙ্গুর পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো রয়েছে। রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত স্যালাইন মজুত, ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল প্রস্তুত এবং চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, গত দুই মাস ধরেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাঠপর্যায়ে প্রস্তুতি চলছে। প্রতিটি জেলায় জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসকদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, মশার লার্ভা ধ্বংসে ওষুধ সরবরাহ এবং উড়ন্ত মশা নিধনে স্প্রে কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় স্যালাইনের কোনো ঘাটতি হবে না। পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে রোগীরা দ্রুত চিকিৎসাসেবা পান এবং জটিলতা এড়ানো যায়।
চিকিৎসকদের প্রস্তুতির বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা-প্রোটোকল অনুসরণে সারাদেশে চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে উপজেলা পর্যায়ের চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত উপজেলা পর্যায়েই চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
হাম পরিস্থিতি নিয়ে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, চিকিৎসক ও নার্সদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হামের বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে। তবে বিশ্বের কোনো দেশই এখনো এ রোগ পুরোপুরি নির্মূল করতে পারেনি।
এ সময় শিশুস্বাস্থ্য ও পুষ্টি কর্মসূচির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন এ খাতে কিছু ঘাটতি ছিল। বর্তমান সরকার শিশুদের পুষ্টি, ভিটামিন সরবরাহ এবং টিকাদান কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করছে।
পি/ডি