পারিবারিক খামারে মহিষ পালন, কোরবানি ঘিরে ভালো দামের প্রত্যাশা
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে পারিবারিকভাবে ছোট পরিসরে মহিষ ও গরু পালন করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় খামারিরা। আসন্ন পবিত্র কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। কেউ গবাদিপশুর পরিচর্যায়, আবার কেউ খাবার সংগ্রহ ও মোটাতাজাকরণে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ছোট পরিসরে গড়ে ওঠা পারিবারিক খামারগুলোতে দেশীয় পদ্ধতিতে মহিষ ও গরু পালন করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক ঘাস, খড়, ভুসি ও পুষ্টিকর খাদ্য ব্যবহার করে তুলনামূলক কম খরচে পশু লালন-পালন করছেন খামারিরা।
ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের গোরকন্ডল এলাকার খামারি সোহেল রানা জানান, প্রায় দুই বছর ধরে তিনি মহিষ পালন করছেন। তার খামারের মহিষগুলো রাজশাহীর সিটি বাজার থেকে কেনা হয়েছে। চার মাস আগে বাবা মুক্তা শেখকে সঙ্গে নিয়ে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা দিয়ে তিনটি মহিষ কেনেন তারা। বর্তমানে মহিষগুলো পরিচর্যা ও মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আসন্ন কোরবানির বাজারে এসব মহিষ ১২ থেকে ১৪ লাখ টাকায় বিক্রির আশা করছেন তিনি।
সোহেল রানার মতে এ উপজেলা জুড়ে ছোট বড় প্রায় শতাধিক খামারি লাভের আশায় গরুর পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পাড় করেছেন।
খামারিদের মতে, সঠিক পরিচর্যা ও সরকারি সহযোগিতা পেলে ঘরোয়া পদ্ধতিতে মহিষ পালন গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ইতোমধ্যে স্থানীয় বাজারগুলোতে কোরবানির পশু কিনতে ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়তে শুরু করেছে।
ফুলবাড়ী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, খামারিদের নিয়মিত পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পশু পালন করলে খামারিরা আরও লাভবান হবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
আই/এ