আন্তর্জাতিক

আল-আকসায় ছয় দশকের মধ্যে এই প্রথম হলো না ঈদের নামাজ

ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞার কারণে ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে মুসলিমদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদে প্রায় ছয় দশকের মধ্যে এবার প্রথম ঈদের নামাজ হয়নি। মুসল্লিরা  আশপাশের সড়ক ও ফুটপাতে নামাজ পড়তে গেলেও স্টান গ্রেনেড এবং কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় ইসরায়েলি বাহিনী। ১৯৬৭ সালের পর এই প্রথম ঈদুল ফিতরের দিন আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখা হলো

শুক্রবার (২০ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়,  সকালে ইসরায়ইলি পুলিশ জেরুজালেমের ওল্ড সিটির প্রবেশপথগুলোতে ব্যারিকেড দেওয়ায় শত শত মুসল্লি বাইরে নামাজ পড়তে বাধ্য হন। মুসল্লিদের একটি অংশ আল-আকসা মসজিদের দিকে যেতে চাইলে স্টান গ্রেনেড এবং কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ দেখিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আল-আকসা মসজিদের চত্বরটি সিলগালা করে দেয় ইসরাইল। এর ফলে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি ওল্ড সিটির ফটকের আশপাশে জড়ো হয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

ফিলিস্তিনিদের দাবি, এটি ইসরায়েলের একটি বৃহত্তর কৌশলের অংশ। নিরাপত্তা উত্তেজনাকে পুঁজি করে আল-আকসা মসজিদ চত্বরের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করতে চায় ইসরায়েল।

 

এদিকে ইসরাইলি নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে আল-আকসার খতিব ও জেরুজালেমের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি শেখ ইকরিমা সাবরি একটি ধর্মীয় নির্দেশনা জারি করেন। তিনি মুসলিমদের মসজিদের নিকটতম স্থানে ঈদের নামাজ আদায়ের আহ্বান জানান।

আই/এ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন