টাঙ্গুয়ার হাওর হয়ে যাদুকাটা নদীতে ভ্রমণে যাওয়ার পথে চলন্ত হাউসবোট থেকে বৌলাই নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর রুকাইয়া নুর (১০) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত রুকাইয়া নুর ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার গোয়ালচামট দুই নম্বর সড়ক এলাকার চিকিৎসক ডা. শাহনুর রহমানের মেয়ে।
রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে উপজেলার বালিজুরী ইউনিয়নের পিরোজপুর গ্রামের কাছে বৌলাই নদীতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার দুপুরে রুকাইয়া নুরসহ প্রায় ২০ জন পর্যটক সাফিনা এ লাক্সারী ওয়াটার ভিলা নামের একটি হাউসবোটে করে মধ্যনগর থেকে টাঙ্গুয়ার হাওর ও তাহিরপুরের বিভিন্ন পর্যটনস্পট ঘুরার উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
বেলা আড়াইটার দিকে হাউসবোটটি বৌলাই নদীতে পৌঁছালে চলন্ত হাউসবোট থেকে হঠাৎ পানিতে পড়ে যায় রুকাইয়া। পরে হাউসবোটে থাকা পর্যটক ও সংশ্লিষ্টরা নদীতে নেমে এবং বিভিন্নভাবে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি।
খবর পেয়ে ঘটনার দিনই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। নৌযান ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে বৌলাই নদীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হলেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
পরে ডুবে যাওয়ায় প্রায় দুইদিন পর রোববার সকালে পিরোজপুর গ্রামের কাছে নদীতে ভাসমান অবস্থায় শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায়।
ওসি ফারুক আহমদ বলেন, শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর রোববার সকালে বৌলাই নদী থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আর/আই