যশোরের মণিরামপুরে মাটি বিক্রির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় এ সময় উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে মণিরামপুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর প্রতিবাদে আজ (১ মে) জড়িতদের আটক ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জামায়াতের নেতাকর্মীরা।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন গতকাল চারটি পয়েন্টে হরিহর নদ খননের মাটি নিলামে বিক্রি করেন। পরে সেই মাটি বেশি দামে বিক্রি করে অর্জিত অর্থ ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
এতে উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আহসান হাবিব লিটন, নায়েবে আমির মহিউল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা সালিমুন হোসেন, আল মামুনসহ অন্তত ২০ নেতাকর্মী আহত হন। এ সময় পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
আহতদের মধ্যে ছাত্রদল নেতা সালিমুন হোসেন ও আল মামুনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আহসান হাবিব লিটন দাবি করেন, তিনি ও মহিউল ইসলাম তাদের দলীয় কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে গিয়ে তাদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করে।
অভিযোগ অস্বিকার করে মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টু দাবি করেন, জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা আগে তরকারি বাজারে হামলা চালিয়ে ছাত্রদলের সালিমুন হোসেন ও আল মামুনকে আহত করেন। পরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং সংঘর্ষে তাদের আরও ৮-১০ জন আহত হন।
মণিরামপুর থানার ওসি (তদন্ত) বদরুজ্জামান জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় কোনো পক্ষ এখনো অভিযোগ করেনি।