প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, অনেকগুলো বছর ধরে আমাদের নদী-নালা-খালগুলো ভরাট হয়ে গেছে। ফলে শুষ্ক মৌসুমে পানি থাকে না, আবার বর্ষায় উজান থেকে হঠাৎ পানি এলে তা ঘরবাড়ি, ফসল ও গবাদিপশুর ক্ষতি করে। আগামী পাঁচ বছরে আমরা প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নিয়েছি, যাতে বর্ষার পানি ধরে রাখা যায় এবং কৃষিকাজে ব্যবহার করা যায়।
সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে দিনাজপুর সার্কিট হাউস মাঠে সুধী সমাবেশে ও ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগে ১০০-১৫০ ফুট গেলেই নলকূপে পানি পাওয়া যেত, এখন অনেক জায়গায় ৬০০-৭০০ ফুট নিচে যেতে হয়। ভূগর্ভস্থ পানি ক্রমেই কমে যাচ্ছে এবং আর্সেনিক সমস্যাও বাড়ছে। খাল ও নদী খননের মাধ্যমে যদি ভূপৃষ্ঠের পানি ধরে রাখা যায় তাহলে ধীরে ধীরে ভূগর্ভস্থ পানির ঘাটতি পূরণ হবে এবং আর্সেনিক সমস্যাও কমবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে দিনাজপুরে এসে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সরকার গঠনের এক মাসের মধ্যে চেষ্টা করেছেন মানুষের কাছে দেওয়া ওয়াদাগুলোর কাজ শুরু করতে। আজকে দিনাজপুর জেলার কাহরল এলাকা থেকে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী খাল খনন কর্মসূচির কাজ শুরু করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘দিনাজপুরকে কেন জানি সবসময় মনে হলেই নানি বাড়ির কথা মনে হয়। এই দিনাজপুর শহরের সঙ্গে আমার অনেক স্মৃতি আছে। বালুবাড়িতে নানিবাড়ি ছিল, তার আগে ঘাসিপাড়ায় ছিল। স্বাভাবিকভাবেই এই এলাকার প্রতি আমার একটি আলাদা টান রয়েছে’।
আই/এ