জাতীয়

ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার : চিফ হুইপ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শাসনামলে ভারতের সঙ্গে হওয়া ১০১টি চুক্তি সরকার পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, এসব চুক্তির মধ্যে দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো বিষয় রয়েছে কি না, তা যাচাই করে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ হুইপ বলেন, চট্টগ্রাম পোর্টে বাংলাদেশ ও পাশের দেশ ভারতের দুইটি জাহাজ একসঙ্গে আসলে, বন্ধু দেশের জাহাজ আগে খালাস হবে এমন অসংখ্য দেশের স্বার্থ বিরোধী চুক্তি করে গেছেন শেখ হাসিনা। আমরা সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছি। বিএনপি সরকারের মূলনীতি হচ্ছে- সবার আগে বাংলাদেশ। আমাদের দেশের স্বার্থ রক্ষার পরেই বন্ধুত্ব বজায় রাখা হবে।

চিফ হুইপ বলেন, হাসিনা সরকারের রেখে যাওয়া ২০৫ কোটি ডলারের ঋণ সরকার পরিশোধ করেছে। দেশে ১৬ লাখ টন সার মজুদ রয়েছে এবং বিদ্যুৎ, ও গ্যাস সমস্যা সমাধানে সরকারের সদিচ্ছার কোনো অভাব নেই। আমরা স্বাবলম্বী করতে চাই এই দেশকে। এর জন্য আমাদের যা যা করা দরকার আমরা তাই করব।

এ সময়, স্বাধীন দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত আমন্ত্রণ না জানানোর কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

তৃতীয় অধিবেশনে পাস হওয়া গুরুত্বপূর্ণ আইনগুলোর মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তর এবং সম্পত্তিতে আজীবন ভোগদখলের অধিকার সংক্রান্ত আইন অন্যতম। এ আইন বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।নতুন আইনের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরের পরও বাবা-মায়ের জীবদ্দশায় ওই সম্পত্তি ভোগের অধিকার নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ আইন নিয়ে বিরোধিতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্ব ও সম্মান নিশ্চিত করার বিষয়টি কোনোভাবেই উপেক্ষা করা উচিত নয়। ধর্মীয় বিধানের কথা যারা বলছেন, তাদের মনে রাখতে হবে বাবা-মাকে সম্মান ও সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়টিও ধর্মীয় মূল্যবোধের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

আর/আই

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন