দেশজুড়ে

দাফনের তিন মাস পর কবর থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উত্তোলন

গাইবান্ধায় দাফনের প্রায় তিন মাস পর তৈয়ব আলী সরকার (৮০) নামে এক বৃদ্ধের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে তৈয়ব আলী সরকার সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের নলডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কবরস্থান থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমানের উপস্থিতিতে লাশটি উত্তোলন করা হয়।

মামলার আসামিরা হলেন- তৈয়ব আলী সরকারের ছোট মেয়ে রহিমা বেগম, রহিমা বেগমের মেয়ে সুমাইয়া আক্তার, জামাতা রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার এমাতপুর ডোবার বাজার গ্রামের হামিদুল ইসলাম এবং ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং নলডাঙ্গা শাখার ব্যবস্থাপক সোহাগ মিয়া

স্বজনরা জানান, গত ১৪ মে চিকিৎসার জন্য তৈয়ব আলীর ছোট মেয়ে রহিমা বেগম তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। এরপর গত ১৫ ও ১৬ মার্চ দুটি পৃথক চেকের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং নলডাঙ্গা শাখায় সঞ্চিত নিহতের ১৭ লাখ ৭২ হাজার ৬৩৮ টাকা উত্তোলন করা হয়।

পরে ১৮ মে রহিমা বেগমের মেয়ে সুমাইয়া আক্তার ও জামাতা হামিদুল ইসলাম তাকে তাদের (জামাতার) বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে ১৯ মে রাতে তিনি মারা গেলে পরদিন ২০ মে নলডাঙ্গা কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়

সাদুল্লাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রিপন মিয়া জানান, তৈয়ব আলী সরকারের বড় মেয়ে কোহিনূর বেগম গত ৭ জুন গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর আমলি আদালতে তার ছোট বোনসহ চারজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তিনি আরও বলেন, মামলার বাদীর অভিযোগ, অসুস্থ অবস্থায় জোরপূর্বক চেকে টিপসই নিয়ে আসামিরা যোগসাজশে ওই টাকা উত্তোলন করেন। বিষয়টি যাতে প্রকাশ না পায় সে জন্য তাকে বালিশচাপা দিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। সর্বশেষ, আদালতের নির্দেশে লাশ উত্তোলনের পর ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে

 

আর/আই 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন