দেশজুড়ে

কিশোরীকে ধর্ষণের পর নবজাতকের লাশ গুমের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ১

নেত্রকোনার পূর্বধলায় নদী থেকে নবজাতক কন্যা শিশুর লাশ উদ্ধারের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। ধর্ষণের পর জন্ম নেয়া মৃত সেই কন্যা শিশুর লাশ গুমের উদ্দেশ্যে ইট বেঁধে নদীতে ফেলে দেয় অভিযুক্ত যুবক সাজন মিয়া (২৫)। এ ঘটনায় ওই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সাজন উপজেলার কোনাকালিহর মাইজপাড়া গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোরে সাজনকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ভুক্তভোগী কিশোরীর মা উপজেলার একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চাকরি করেন। এ কারণে তিনি সকালে কর্মস্থলে গিয়ে বিকাল বেলায় বাড়ি ফেরেন। এ সুযোগ সাজন মিয়া ১২বছরের কিশোরীকে খালি ঘরে একা পেয়ে ধর্ষণ করে। এরপর থেকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে নিয়মিত ধর্ষণ করে। এতে করে কিশোরীটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। এরপর গত ২৮ জুন রাতে নিজ বাড়িতে কিশোরীটি মৃত কন্য শিশু প্রসব করে। রাতেই সাজন মিয়া কালো রংয়ের একটি শার্ট দিয়ে শিশুটিকে পেঁচিয়ে ইটের সাথে রশি বেঁধে কালিহর নদীতে ফেলে রাখে। পরদিন সকালে পুলিশ নবজাতকের লাশ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় ২৯ জুন  পূর্বধলা থানার উপ পরিদর্শক মারুফ খান বাদি হয়ে থানায় মামলা করেন।

মরদেহ উদ্ধারের পর তদন্তে নামে পুলিশ। পরে আজ ভোরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাজনকে আটক করলে সে নবজাতক কন্যা শিশুটির পরিচয় শনাক্তসহ ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন আরও জানান, আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনায় সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাকে দুপুরের দিকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এছাড়াও ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার প্রস্তুতি চলছে। আগামীকাল সাজন মিয়াকে ধর্ষণসহ  ভ্রুণহত্যা মামলায় রিমান্ড চেয়ে নেত্রকোনা আদালতে সোপর্দ করা হবে।

আই/এ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন