পরিকল্পিতভাবে পাশের রাষ্ট্র থেকে মাদক ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, আগের সরকারের আমলে বাংলাদেশে মাদকের সয়লাব হয়েছিল। বিগত সরকার এ কাজ করেছিল। এ দেশে কোন মাদকের কারখানা নেই। দেশকে ধ্বংস করার জন্য পরিকল্পিতভাবে পাশের রাষ্ট্র থেকে মাদক ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু সরকার তা কঠোর হস্তে দমন করার চেষ্টা চলছে। মাদকের ব্যাপারে সরকার জিরো টলারেন্স।
শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে নেত্রকোনার মদন উপজেলার উচিতপুর ট্রলার ঘাটে মাছের পোনা অবমুক্ত করার পূর্বে পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগে যারা ক্ষমতায় ছিল তারা খুন করে ঘুম করে জেলে নির্যাতন করে ক্ষমতার টিকে থাকার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তারা ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি। "আল্লাহর মাইর, দুনিয়ার বাইর"। আল্লাহ যদি কাউকে বাচায়, তাহলে কেউ মারতে পারেনা। আবার যদি কাউকে ধরে, তাহলে সে বাঁচতে পারে না। এ জন্য তারা দুর্নীতি করেছে, লুটপাট করেছে। জনগণের রোশনালে পড়ে তারা দেশ থেকে ভাগতে বাধ্য হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, একটি মাছ ১ থেকে ১.৫ লক্ষ পোনা প্রজনন করে। এটিকে রক্ষা করা আপনাদের দায়িত্ব। আপনারা যদি আগামী পাঁচ মাস মাছ ধরা থেকে বিরত থাকেন, মাছের উৎপাদন হবে অনেক গুণ বেশি। এখন যারা ১০টাকার মাছ ধরছেন পাঁচ মাস পরে মাছ ধরলে এর পরিমাণ দাঁড়াবে কয়েক গুণ বেশি। এক সময় মানুষ বলতো মাছে ভাতে বাঙালি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একটা কথা বলে থাকেন, "করব কাজ গর্ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ"।
পথসভায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল আলম তালুকদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম আকন্দ, পৌর বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামান চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদিরের সঞ্চালনায় উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সড়ক পরিবহন ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন ও মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক।
পরে প্রতিমন্ত্রী সকলকে নিয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
আই/এ