অর্থনীতি

হতদরিদ্রদের কথা মাথায় রেখে বাজেট করা হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

সীমিত সম্পদের মধ্যেও দেশের মানুষের স্বস্তি নিশ্চিত করাই এবারের বাজেটের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে জাতীয় সংসদে প্রবেশের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, এটি নির্বাচিত সরকারের প্রথম বাজেট হওয়ায় জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি, আর সেই প্রত্যাশার চাপ মাথায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।

তিনি জানান, দেশের অর্থনীতিকে এক ধরনের সংকট ও ভঙ্গুর অবস্থা থেকে বের করে স্থিতিশীলতা ও টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা চলছে। সীমিত আর্থিক সক্ষমতার মধ্যেও যাতে উন্নয়নের সুফল সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে যায়, সেই লক্ষ্যেই বাজেট সাজানো হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, এবারের বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির ওপর। একেবারে হতদরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী থেকে শুরু করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ যেন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারে এবং উন্নয়নের ফল ভোগ করতে পারে—সে বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, জাতীয় উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যকে সামনে রেখে বাজেটের প্রতিটি দিক নির্ধারণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে বাজেট উপস্থাপন হওয়ায় এটির প্রেক্ষাপটও ভিন্ন, তাই জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সবশেষে অর্থমন্ত্রী বলেন, একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি তৈরি করাই এই বাজেটের অন্যতম উদ্দেশ্য। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এই বাজেট বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে, যাতে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ধারা আরও শক্তিশালী হয়।

উল্লেখ্য, আজ বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করার কথা রয়েছে অর্থমন্ত্রীর। নতুন সরকারের এটি প্রথম বাজেট। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ভর্তুকি ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ব্যয় বৃদ্ধি এবং ঋণের সুদ পরিশোধের চাপের কারণে আগামী অর্থবছরে সরকারি ব্যয়ের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে।

 

এসি//

 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন