জাতীয়

শিশু রামিসার ফরেনসিক রিপোর্টে মিলেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ফরেনসিক রিপোর্টে মৃত্যুর আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। একইসঙ্গে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ধর্ষণের পর তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় এবং পরে মরদেহের মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়।

রোববার (২৪ মে) ফরেনসিক রিপোর্ট পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে।

ফরেনসিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনার দিন শিশু রামিসাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। পরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। হত্যার পর তার দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয় বলে রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে।

এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে রোববার আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে শিশু রামিসা হত্যা মামলায় দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই দিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সোহেল রানা জানান, গেল মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে রামিসাকে নিজের কক্ষে নিয়ে যান তিনি। পরে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই কক্ষে ছিলেন বলেও জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে মামলার বাদী ও শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান বলেন, “আমি চাই এ হত্যার সুষ্ঠু বিচার হোক, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো পরিবারকে এমন মর্মান্তিক ঘটনার শিকার হতে না হয়।”

এর আগে শনিবার (২৩ মে) ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, রামিসা হত্যার ঘটনায় দায়ীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃদত্যুদণ্ড দ্রুত নিশ্চিত করা হবে।

 

পিডি/এমএ//

 

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন