দেশজুড়ে

নাসীরুদ্দীনের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা , ক্যামেরা ও লেন্স ছিনতাইয়ের অভিযোগ

ঝিনাইদহে এনসিপির মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে।  এতে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ আট জনের নাম উল্লেখ করে  করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১১০ থেকে ১১৫ জনকে আসামি করা হয়।  মামলায় ক্যামেরাসহ ১ লাখ ৯০ হাজার টাকার জিনিসপত্র ছিনতাইয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে।

শুক্রবার (২২ মে) রাতে এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব তারেক রেজা বাদী হয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলাটি করেন। ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদউজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, নামাজ শেষে শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট জামে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ এনসিপি নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়।এ সময় নেতাকর্মীদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ, জিআই পাইপ, বেসবল ব্যাট ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করা হয়। এতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, তানাইম, আসিফ, আলামিন, হাসিবুর রহমান, নাহিয়ান খান নিয়াজ ও অয়ন রহমান খানসহ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।

হামলার সময় একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা, কয়েকটি মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনতাই করা হয়েছে। ছিনতাই হওয়া মালামালের মধ্যে একটি সনি আলফা এ৬৪০০ ক্যামেরা, ট্যামরন লেন্স ও মেমোরি কার্ড রয়েছে, যার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

এদিকে রাত ৯টার দিকে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। বিভিন্ন সড়ক ঘুরে মিছিলটি সদর থানার সামনে এলে উত্তেজনা দেখা দেয়। এ সময় থানার মধ্যে থাকা নাসীরুদ্দীনকে বের করে দেওয়ার দাবি জানান তারা।  ভেতরে প্রবেশ করতে না পেরে থানা ঘেরাও করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় তারা ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। এতে থানার ভেতরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে নাসীরুদ্দীনসহ নেতৃবৃন্দ।

একপর্যায়ে থানার গেট খুলে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন তারা। পরে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ কর্মীদের শান্ত করে থানার সামনে থেকে সরিয়ে নিয়ে গেলে পুলিশ পাহারায় নাসীরুদ্দীনসহ নেতৃবৃন্দকে নিরাপদে বের করে দেওয়া হয়।

বর্তমানে শহরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

আই/এ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন