জাতীয়

অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ব্যাখ্যা দিলো ইইউ

বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস বলেছেন,  আমাদের প্রেক্ষাপট থেকে অংশগ্রহণমূলক মানে সব সামাজিক গোষ্ঠীকে যুক্ত করা। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যেমন নারী, সব ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু গোষ্ঠী এবং আঞ্চলিক গোষ্ঠীর অংশগ্রহণ। আর অংশগ্রহণমূলক বলতে আমরা ভোটারের বিশ্বাসযোগ্য অংশগ্রহণ বোঝাই

রোববার (১১ জানুয়ারি) একটি হোটেলে সংবাদ সম্মলনে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলতে ইইউ কি বুঝাতে চাইছে তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ইভার্স ইজাবস বলেন,  'আসন্ন নির্বাচন স্বচ্ছ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক হবে, এটি সবার প্রত্যাশা। তাছাড়া, শান্তিপূর্ণ ভোট আয়োজন ভোটারদের মাঝে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা তৈরি করে।'

অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলতে বিগত সময়ে ইউরোপের রাষ্ট্রদূতরা অবশ্য সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণকে বুঝিয়েছেতাহলে, ইইউ অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলকের ব্যাখ্যা কি পরিবর্তন করেছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'অন্তর্ভুক্তিমূলক বলতে সবকিছু বুঝিয়েছি, নাগরিকদের ভোট দিতে পারা এবং গণনার স্বচ্ছতাও এরমধ্যে রয়েছে। অংশগ্রহণমূলকের মধ্যে দলের নিবন্ধনও একটি বিষয়। আমরা জানি, বিষয়টি বাংলাদেশে ঐতিহাসিকভাবে জটিল বিষয়। বিশেষ করে এরমধ্যে জাতীয় রিকনসিলিয়েশন বা সমঝোতা ও অন্তর্বর্তীকালীন বিচারের মতো বিষয় রয়েছে এরমধ্যে।'

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের ভোটার উপস্থিতিতে যদি এটি প্রভাব ফেলে, তবে  বিষয়টি তারা আমলে নেবেনতারা এখানে নির্বাচনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে মন্তব্য করতেন আসেননি,  বিষয়টি নিয়ে তারা অবগত এবং নজরে রেখেছেন

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন,  এখন পর্যন্ত দুটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক হয়েছেবাকিদের সঙ্গে বৈঠকের প্রক্রিয়া চলমান। প্রাথমিকভাবে ইতিবাচক বিষয় হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো সহিংসতামুক্ত একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের পক্ষে

ইজাবস বলেন, সামনে কি হয়, তা আমরা পর্যবেক্ষণ করবো। কারণ ২০০৮ এরপর বাংলাদেশে কোনো বিশ্বাসযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হয়নি

 

আই/এ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন